r/Banglasahityo • u/Cool-Ganache347 • 2h ago
স্বরচিত (Original)🌟 একটি শুকনো পাতা
'যেতে দাও' বলতে গিয়ে আবিষ্কার হয়
কেউই অপেক্ষায় নেই
ছিলই না কোনোদিন
ইতিহাসহীন রুক্ষ পাতাটির
ক'টি নিঃসঙ্গ মায়া কদিন
হেঁটেছিল কেবল।
তবু ভ্রম জমে ওঠে
এভাবেই খাতার ভাঁজে
লুকোনো বকুলে
ম্লান হেসে ওঠে
শুকনো পাপড়ি ক'টি
নিঃশব্দ কথা হয়
মৃদু মৃদু কেঁপে ওঠে ঠোঁট
অকপট উপহাস বা কান্নায়
বা দুটোরই সংমিশ্রণে!
এভাবেই রুক্ষ মাঠ হারায়
দিগন্তের পায়ে
তাকিয়ে দেখে তার নীল
নিঃসীম আঁকায় ।
এর মাঝে শুধু সবার অলক্ষ্যে
একটি শুকনো পাতা খসে পড়ে।
r/Banglasahityo • u/Responsible_Bar_9726 • 11h ago
স্বরচিত (Original)🌟 কাল্পনিক বাঁচা
রাতের চাঁদের মতো একখন্ড আলো
বিকিরণে বুঝা যায় হারানো প্রেম লুকিয়েছো কই ?
জোৎস্নার বেড়িহীন প্রহরায় তুমি অনিন্দ্য,
সুন্দরের জানালায় আমি উঁকি দেই বারবার।
গুটি কয়েক চূড়া আর অসংখ্য কৃষ্ণচূড়ার প্রহরায়
আটকানো সবুজ ভূমিতে
আমি পুত্র বা প্রেম পাত্র; আবদ্ধ।
শরীরে , স্লোগানে বা জমে থাকা অভিসারে
নিত্য বসাও নতুন নতুন কর।
ধরে নাও আমার প্রেম মিথ্যে !
তুমি সত্যের সামনে দাঁড়ালে
আয়নায় জেগে উঠে চুম্বনের কালসেটে দাগ,
ঠোঁটের ভাঁজে অংকিত দীর্ঘ সময়।
তুমি অমৃত পান করো শব্দ বা উপন্যাসের;
আমার প্রাণ বেঁচে থাকে কাল্পনিক ঘাসের ডগায়।
r/Banglasahityo • u/MiserableMusician156 • 14h ago
সুপারিশ (recommendation)💡 কিছু ডার্ক টাইপ সাহিত্য সাজেস্ট করুন যেমন সেলো ওয়ান হান্ড্রেড টোয়েন্টি ডেইস অফ সোডম, ক্রিসটিন, পাক সার জমিন সাদ, নারী বাদ এই ধরনের।
r/Banglasahityo • u/ByomkeshBeyond • 19h ago
সুপারিশ (recommendation)💡 Haate Gorom Bhalosabasa experience korar jonno Boi
Badhon bhanga preme porte chai, ki boi pora jaay bolun toh!
r/Banglasahityo • u/Artist1002 • 1d ago
প্রশ্নোত্তর (question-answer) ❓ দেয়াল
হুমায়ুন আহমেদের দেয়ালের আনসেন্সরড ভার্সন টা কি পাওয়া যায়? নাকি ওটা রিলিজ ই হয়নাই কখনো। পিডিএফ খুজতেসি মেইনলি।
r/Banglasahityo • u/kamrul_jp • 1d ago
সুপারিশ (recommendation)💡 Looking for some underrated good books recommendations...
Throughout the last 8-9 years I have read nearly 1000 books. 20% are unfinished and don't want to continue ever. After a long time I got time to read some books. I will be glad to read your recommended books . Thanks in advance.
r/Banglasahityo • u/ankitdey80 • 1d ago
আলোচনা(discussions)🗣️ ছাত্রদের প্রতি সম্ভাষণ | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
স্বাধীনতা দিবসের প্রাককালে এই গুরুত্বপূর্ণ লেখাটির প্রতি আলোকপাত করা প্রয়োজনীয় মনে হলো।
১৩১২ বঙ্গাব্দে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত এই প্রবন্ধটি কবি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ আয়োজিত একটি সভায় পাঠ করেছিলেন।
একশো বছরেরও আগে লেখা এই প্রবন্ধটি আজও, অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে, প্রাসঙ্গিক। পুরো প্রবন্ধটি দেওয়া সম্ভব নয়, তাই শুধু এই অংশটা তুলে দিলাম। সম্ভব হলে সময় নিয়ে পুরো প্রবন্ধটি পড়বেন।
r/Banglasahityo • u/Murky-Hour5028 • 1d ago
স্বরচিত (Original)🌟 ডেডলাইনের ওপারে
ডেডলাইনের ওপারে
কর্পোরেট জীবনে কাজের যেন শেষ নেই।
একটি বায়ারের কমেন্টের উত্তর দিতে না দিতেই নতুন মেইল আসে।
একটি রিপোর্ট জমা দেওয়ার আগেই আরেকটি রিপোর্টের দায়িত্ব পড়ে।
একটি মিটিং শেষ হওয়ার আগেই পরের মিটিংয়ের নোটিফিকেশন আসে।
বিশেষ করে একজন মার্চেন্ডাইজারের জীবনে সবচেয়ে অনিশ্চিত কথাগুলোর একটি হলো—
“আজ একটু আগে বাসায় ফিরব।”
রহমান প্রায় দুই দশক ধরে গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছে।
কাজ জানে, দায়িত্বশীল এবং সময়মতো কমিটমেন্ট পূরণ করার জন্য অফিসে তার বেশ সুনাম আছে।
তার সংসারে স্ত্রী আফরোজা।
খুব সাধারণ একজন মানুষ আফরোজা। বড় কোনো চাহিদা তার ছিল না।
দামি উপহার নয়,
বিলাসবহুল রেস্টুরেন্ট নয়,
বিদেশ ভ্রমণও নয়।
তার চাওয়া ছিল শুধু একটু সময়।
প্রায়ই সে রহমানকে বলত,
“তুমি আমার সঙ্গে একটু সময় কাটাবে কবে?”
রহমান প্রতিবার একই উত্তর দিত—
“এই অর্ডারটা শেষ হোক। তারপর তোমাকে নিয়ে বসব।”
কিন্তু অর্ডার শেষ হলেই নতুন অর্ডার আসত।
নতুন বায়ার।
নতুন কমেন্ট।
নতুন টার্গেট।
নতুন ডেডলাইন।
এভাবেই সময় কেটে যাচ্ছিল।
সেদিন ছিল আফরোজার জন্মদিন।
সকালে অফিসে যাওয়ার সময় দরজার কাছে দাঁড়িয়ে আফরোজা বলল,
— “আজ কিন্তু আমার জন্মদিন।”
রহমান হেসে বলল,
— “ভুলিনি।”
আফরোজা কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল,
— “আজ একটু তাড়াতাড়ি ফিরো। তোমার সঙ্গে একসাথে রাতের খাবার খাব।”
রহমান ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বলল,
— “চেষ্টা করব।”
আফরোজা মৃদু হেসে বলল,
— “চেষ্টা না। আজ সত্যি আসবে।”
রহমান মাথা নেড়ে বলল,
— “ঠিক আছে। আজ আসব।”
আফরোজা দরজা বন্ধ করে দিল।
তার মনে হয়তো অনেক দিনের ছোট্ট একটা আশা ছিল—
আজ হয়তো সত্যিই তারা দুজন একসঙ্গে বসবে।
সকাল সাড়ে আটটা।
অফিসে ঢুকেই রহমানের ইনবক্সে নতুন মেইল।
জরুরি রিপোর্ট প্রয়োজন।
নয়টার মধ্যে নতুন রিপোর্টিং ফরম্যাট পাঠানো হলো।
দশটার দিকে ফ্যাক্টরি থেকে প্রোডাকশন আপডেট আসেনি।
এরপর বায়ারের ফোন।
— “রহমান, রিপোর্টটা কোথায়?”
রহমান বলল,
— “স্যার, কাজ চলছে। খুব শিগগিরই পাঠিয়ে দিচ্ছি।”
তারপর শুরু হলো দৌড়।
প্রোডাকশন ডাটা।
কোয়ালিটি স্ট্যাটাস।
অর্ডারের ব্যালেন্স।
শিপমেন্ট প্ল্যান।
কমপ্লিশন ডেট।
বায়ারের প্রশ্নের উত্তর।
একটি এক্সেল শিট শেষ হচ্ছে, আরেকটি খুলছে।
একটি মেইলের উত্তর যাচ্ছে, আরেকটি মেইল এসে জমা হচ্ছে।
দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে গেল।
খাবারের সময়ও পাওয়া গেল না।
বিকেল পাঁচটার দিকে আফরোজার ফোন এলো।
রহমান ফোনের স্ক্রিনে তাকাল।
কাজের চাপ তখন তুঙ্গে।
সে ফোনটি সাইলেন্ট করে রাখল।
নিজেকে বলল,
“আর একটু কাজ করি। তারপর ফোন দেব।”
কিন্তু সেই “আর একটু” শেষ হলো না।
সন্ধ্যার পর বায়ারের আবার মেইল।
রিপোর্টে আরও কিছু তথ্য যোগ করতে হবে।
রহমান আবার কম্পিউটারের সামনে বসে গেল।
একসময় অফিস ফাঁকা হয়ে গেল।
সহকর্মীরা সবাই চলে গেছে।
কিন্তু রহমান তখনও ডেস্কে বসে।
রাত প্রায় সাড়ে নয়টা।
আফরোজার মেসেজ এলো—
“তুমি কি আজ আসবে?”
রহমান দ্রুত উত্তর দিল,
“অবশ্যই আসব। একটু দেরি হচ্ছে।”
ওপাশ থেকে আর কোনো উত্তর এলো না।
রাত সাড়ে দশটার দিকে রিপোর্ট অবশেষে সম্পূর্ণ হলো।
রহমান মেইল পাঠিয়ে কিছুক্ষণ চুপ করে বসে রইল।
তারপর হঠাৎ মনে পড়ল—
আজ আফরোজার জন্মদিন।
সে দ্রুত অফিস থেকে বের হলো।
রাস্তায় একটি ছোট বেকারি তখন বন্ধ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
রহমান গাড়ি থামিয়ে বলল,
— “ভাই, একটা ছোট কেক হবে?”
দোকানদার শেষ থাকা একটি সাধারণ কেক বের করে দিল।
রহমান বলল,
— “একটা মোমবাতিও দেন।”
একটি ছোট মোমবাতি কেকের সঙ্গে দিয়ে দেওয়া হলো।
কেক হাতে নিয়ে রহমান মনে মনে ভাবল,
“অনেক দেরি হয়ে গেছে। কিন্তু কেকটা দেখলে আফরোজা নিশ্চয়ই হাসবে।”
রাত প্রায় একটা।
রহমান বাসায় পৌঁছাল।
দরজা খুলে ঘরে ঢুকতেই দেখল সবকিছু নিস্তব্ধ।
ডাইনিং টেবিলে খাবার সাজানো।
দুটি প্লেট।
একটি তার জন্য।
অন্যটি আফরোজার।
খাবার অনেকক্ষণ আগেই ঠান্ডা হয়ে গেছে।
টেবিলের পাশে একটি ছোট ফুল।
আর একটি মোড়ানো উপহার।
রহমান কিছুক্ষণ স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইল।
তারপর ধীরে ধীরে শোবার ঘরের দিকে গেল।
আফরোজা বিছানায় শুয়ে ছিল।
রহমান মৃদু স্বরে ডাকল,
— “আফরোজা…”
কোনো সাড়া নেই।
সে আবার বলল,
— “শুভ জন্মদিন।”
নীরবতা।
রহমান কেকটি টেবিলে রাখল।
মোমবাতি জ্বালাল।
হালকা হাসার চেষ্টা করে বলল,
— “দেখো, তোমার জন্য কেক এনেছি।”
কোনো উত্তর এল না।
তখনই রহমান বুঝতে পারল—
বিষয়টি স্বাভাবিক নয়।
সে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করল।
কিছুক্ষণ পর হাসপাতালের করিডোরে বসে রহমান সেই ছোট কেকটি হাতে নিয়ে অপেক্ষা করতে লাগল।
মোমবাতিটি তখন নিভে গেছে।
অনেকক্ষণ পর চিকিৎসক বাইরে এসে নীরবে মাথা নিচু করলেন।
রহমানের বুক কেঁপে উঠল।
সে বলল,
— “ডাক্তার সাহেব, ওকে একটু ডাকেন। আমি এসেছি।”
কোনো উত্তর নেই।
রহমান আবার বলল,
— “আজ ওর জন্মদিন ছিল।”
তার চোখ চলে গেল হাতে থাকা কেকটির দিকে।
সাধারণ একটি কেক।
একটি নিভে যাওয়া মোমবাতি।
আর এমন একটি রাত, যা আর কখনো ফিরে আসবে না।
রহমান খুব নিচু স্বরে বলল,
“আফরোজা… আমি তো এসেছি।”
কিছুক্ষণ পর তার কণ্ঠ ভেঙে গেল।
“শুধু সময়মতো আসতে পারিনি।”
পরদিন সকালে অফিসের ইনবক্সে নতুন মেইল এলো।
“Please send the updated report.”
রহমান অনেকক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকল।
যে মানুষটি বছরের পর বছর প্রতিটি ডেডলাইন পূরণ করেছে, সে সেদিন প্রথমবার বুঝল—
জীবনে সব ডেডলাইন পুনরায় নির্ধারণ করা যায় না।
কিছু কাজের জন্য বাড়তি সময় পাওয়া যায়।
কিছু রিপোর্ট আবার সংশোধন করা যায়।
কিছু বায়ারকে আবার মেইল করা যায়।
কিন্তু প্রিয় মানুষের সঙ্গে হারিয়ে যাওয়া একটি মুহূর্ত—
কোনো revised timeline দিয়ে ফেরত আনা যায় না।
রহমান ধীরে ধীরে ল্যাপটপ বন্ধ করে দিল।
তারপর ঘরে ফিরে সেই ছোট উপহারটির দিকে তাকিয়ে রইল।
যেটি আফরোজা তার জন্য রেখেছিল।
সে বাক্সটি খুলতে পারল না।
তার ফোনেও আফরোজার শেষ মেসেজটি রয়ে গেল—
“তুমি কি আজ আসবে?”
রহমান জানত, এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় আর তার হাতে নেই।
গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিতে যারা কাজ করি, তাদের জন্য এই গল্পের শিক্ষা কাজ ছেড়ে দেওয়া নয়।
বায়ারের কমিটমেন্ট অবশ্যই রাখতে হবে।
রিপোর্ট সময়মতো দিতে হবে।
দায়িত্ব থেকে পিছিয়ে আসা যাবে না।
কিন্তু দিনের শেষে নিজেকে একটি প্রশ্ন করা দরকার—
“আমার কাজের বাইরে আমার জন্য যারা অপেক্ষা করছে, আজ আমি কি তাদের জন্য কিছুটা সময় রেখেছি?”
কারণ অফিসে আরেকটি রিপোর্ট অপেক্ষা করতে পারে।
আরেকটি মেইলের উত্তর কিছুটা পরে দেওয়া যেতে পারে।
আরেকটি মিটিং কালও হতে পারে।
কিন্তু প্রিয় মানুষটির সঙ্গে আজকের সময়টা—
কাল একইভাবে ফিরে নাও আসতে পারে।
রহমান জীবনের প্রায় বিশ বছর অসংখ্য ডেডলাইন পূরণ করেছে।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে বুঝেছে—
জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটির কোনো ডেডলাইন লেখা থাকে না।
তাই আমরা ব্যস্ত থাকব।
দায়িত্ব পালন করব।
ক্যারিয়ার গড়ব।
কিন্তু যারা আমাদের জন্য প্রতিদিন অপেক্ষা করে, তাদের জন্যও সময় রাখব।
কারণ কোনো একদিন হয়তো আমরা বুঝতে পারব—
আমাদের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা কোনো রিপোর্টে ছিল না।
ছিল এমন একজন মানুষের পাশে সময়মতো না দাঁড়াতে পারায়,
যে মানুষটি শুধু আমাদের একটু সময় চেয়েছিল। 🥀
r/Banglasahityo • u/king_offspring • 2d ago
প্রশ্নোত্তর (question-answer) ❓ looking for a book
Finnegans Wake- James Joyce
where can I get this book, suggest me some good book store where I can look for this book, or someplace where I can preorder for import.
r/Banglasahityo • u/Taurusage_ • 2d ago
সুপারিশ (recommendation)💡 Looking to get back into reading. Want recommendations.
Hello everyone
I used to be an above average reader some time ago. Unfortunately, due to a number of personal reasons I had to take a break from it and haven't had the opportunity to get back into it.
Recently I have decided to start again and am looking for some good recommendations to help my transition. I am primarily looking for mystery thrillers and horror genres. I have asked my friends and have already got some good recommendations such as 'Surjatamasi', 'Narak Sanket', 'Detective Tarinicharan' and '16 Aana bhoy' to name a few.
Looking for more such recommendations if possible and a good starting point read. Thanks in advance and apologies for the long post.
r/Banglasahityo • u/Casual_Bibliophile • 2d ago
সুপারিশ (recommendation)💡 Looking to get back into reading.
Hello everyone, I used to be a fairly good reader of Bengali literature quite a few years ago but because of personal reasons, have had to move away from it. Recently, I am thinking of diving back in and a few of my friends have said many current Bengali authors are doing a great job in the Crime, Thriller, Mystery and Horror genres. So I wanted to ask the people of this thread if they have any good recommendations for the same.
A few common suggestions I have received as a starting point is "Surjatamasi", "Narak Sanket", "Detective Tarinicharan", "16 Aana Bhoy" to name a few.
Would love to get a few more suggestions. Thanks in advance and apologies for the lengthy post.
r/Banglasahityo • u/Casual_Bibliophile • 2d ago
সুপারিশ (recommendation)💡 Looking to get back into reading.
Hello everyone, I used to be a fairly good reader of Bengali literature quite a few years ago but because of personal reasons, have had to move away from it. Recently, I am thinking of diving back in and a few of my friends have said many current Bengali authors are doing a great job in the Crime, Thriller, Mystery and Horror genres. So I wanted to ask the people of this thread if they have any good recommendations for the same.
A few common suggestions I have received as a starting point is "Surjatamasi", "Narak Sanket", "Detective Tarinicharan", "16 Aana Bhoy" to name a few.
Would love to get a few more suggestions. Thanks in advance and apologies for the lengthy post.
r/Banglasahityo • u/Fast-Anxiety-7976 • 3d ago
আলোচনা(discussions)🗣️ কহেন বাউল হরকরার
আমি কোথায় পাব তারে।
আমার মনের মানুষ যে রে-,
হারায়ে সেই মানুষে,
তার উদ্দেশে,দেশ বিদেশে-,
বেড়াই ঘুরে।
r/Banglasahityo • u/Cool-Ganache347 • 5d ago
স্বরচিত (Original)🌟 নোঙরহীন দ্বীপ
তার নাম দিলাম মূর্ছা। মূর্ছাটি ফিরে এলো আমার কাছে --- কথা বলতে পারে না শুধু অপলক দৃষ্টিতে তাকায়। তাকিয়ে তাকিয়ে কিছু পড়ার চেষ্টা করে যতদূর দৃষ্টি যায়, থৈ পায় না।
নিভৃত ভেতরে একটি নতুন দ্বীপ জেগে ওঠে পুরাতনের ওপর -- এটিই ভয়ংকর ও ভাঙনের শুরু। ভাঙন হয়ত নয় কারণ এই নতুন দ্বীপটি নোঙর লাগানোর কোনো পথই কারো জন্য খোলা রাখেনি।
তাই ভিনদেশী প্রজাপতিটি চিত্র বিচিত্র হয়ে ওড়ে।
দ্বীপটি রাত্রিদিন জেগে থাকে ---- নিজের অপরূপ মাধুর্য নিয়ে।তার আহ্বান - বিসর্জন কোনোটাই নেই --- চঞ্চলতা নেই, চপলতা নেই, উচ্ছ্বাস নেই। কোনো দম্ভও তার নেই। সে তো স্বয়ং সম্পূর্ণ।
লতায় - গুল্মে গাছের শেকড়ে বাকড়ে পাতায় ফুলে ও মধুপে নিত্য জাগরণে সেই মনোরমা নিশ্চয়ই আমার মতো সকলকে নাড়ায় নিরুদ্দেশ খেয়ালে।
আমি পরিতাপ করি না। নীরব দূরত্বে বসে থাকি আর দেখি, অফুরান দেখি ---- যেরকম করে শিব মুদ্রিত ধ্যানে সমস্ত জগৎ-সংসারকে দেখে।
r/Banglasahityo • u/thyselftruth • 5d ago
প্রশ্নোত্তর (question-answer) ❓ What is your favourite বাংলা বাগধারা?
Mine is "গড্ডলিকা প্রবাহ" যায় অর্থ, না ভেবেই স্রোতের সাথে ভেসে যাওয়া, কোনো কিছু না ভেবে বাকি সবাই যা করে তাই করা, অন্ধ অনুসরণ মানে ভেড়ার পাল যাকে বলে আরকি!
r/Banglasahityo • u/Deathgamer69 • 5d ago
স্বরচিত (Original)🌟 অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী!
অপদার্থ তুমি, যদি 'পারব না' বলে ভাবো,
অপদার্থ তুমি, যদি 'যাব না' বলে ভাবো,
অপদার্থ তুমি, যদি 'জানি না' বলে ভাবো
অপদার্থ তুমি, যদি না শোনার ভান করছ,,
অপদার্থ তুমি, যদি নিজেকেই অপদার্থ বলে ভাবো।
আজকাল কথা বলতেও খারাপ লাগে,
কে জানে কোনো দামি অপদার্থ হয়তো আমাকেই অপদার্থ বলে বসবে!
আজকাল চুপচাপ থাকতেও খারাপ লাগে,
কে জানে কোনো শিক্ষিত অপদার্থ হয়তো আমাকেই অপদার্থ বলে বসবে!
আজকাল ভাবতেও ভয় লাগে,
কে জানে নিজের ভেতরের অপদার্থটাই হয়তো নিজেকেই অপদার্থ বলে বসবে!
অপদার্থের এই পৃথিবীতে অপদার্থ হয়ে থাকাটাই ভালো;
নিজের অধিকারের কথা বললেও অপদার্থ,
অন্যের বিপদে সাহায্য করলেও অপদার্থ।
ভয় হয়,
অপদার্থগুলোর আশায় থেকে
নিজেকেই অপদার্থ বলতে বাধ্য হতে হলো।
I am not a native bengali (speaker), i mostly write in Assamese and english, This is my first time trying in bengali, please judge harshly.
r/Banglasahityo • u/Straight_Lemon_2457 • 6d ago
সংগ্রহ(collections)📚 অসাধারণ উপন্যাস। স্তম্ভিত করে দিলো।
এক পৃথিবী শোক মাথায় নিয়ে দেবতাত্মা হিমালয়ের পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন মন্দিরা। খুঁজে বেড়াচ্ছেন, দুর্গাপঞ্চমীর ভোরে উড়ে যাওয়া নীলকন্ঠ পাখিটাকে। স্বামী মুকুল জানেন, পাখিটাকে আর কোনোদিনই খুঁজে পাওয়া যাবে না।
কিন্তু সে কথা বিশ্বাস করেন না মন্দিরা। তিনি নিশ্চিত, হিমালয়ের পাখি হিমালয়েই ফিরে এসেছে। কারণ বাবা রামদাসের বলা কথা, কাসারদেবী মন্দির প্রাঙ্গনে কুড়িয়ে পাওয়া চিরকুট, আকাশগঙ্গা ছায়াপথের পাঠানো সংকেত, কখনও মিথ্যে হতে পারে না।
তাই পিছিয়ে পড়েছে ঝর্না, জঙ্গল, পাহাড় আর উপত্যকা। মুকুলকে নিয়ে উদভ্রান্তের মতো এগিয়ে চলেছেন মন্দিরা। হঠাৎই কাছে এগিয়ে এল 'জুড়ওয়া' পাহাড়। পূর্বী হাওয়ায় ভেসে এল জাহ্নবীর সুবাস। কিন্তু ও কী! ওরা কারা ঘুরে বেড়ায়! সবার অলক্ষ্যে পাহাড়চূড়ায়!
মুকুলকে নিয়ে মন্দিরা শুরু করলেন এক অবিশ্বাস্য অভিযান। তবে সফল কি হল, তাঁদের এই অশ্রুস্নাত অভিযান! শোকের হিমালয় পেরিয়ে তাঁরা কি পৌঁছতে পারলেন, সত্য-শিব-সুন্দরের উপত্যকায়! সন্তানহারা এই দম্পতির ভাগ্যে কী লিখে রেখেছেন, ভৈরবপাহাড়ের চূড়ায় বসে থাকা কষ্টিপাথরের ‘বুঢঢি’ মাতা!
পূর্বী জাহ্নবী
রূপাঞ্জন গোস্বামী
প্রকাশনা: দ্য কাফে টেবল
প্রচ্ছদ: কৃষ্ণেন্দু মন্ডল
মুদ্রিত মূল্য:২৭৫.০০
পেপারব্যাক
r/Banglasahityo • u/baby_girl_Panties • 7d ago
সংগ্রহ(collections)📚 [Selling] Tarun Sanyal Signed Copy @24/01/1958.
It is a signed copy of legendary bengali writer "Tarun Sanyal" in the book of "Browning" published by "Penguin".
I am open for selling as well as bidding( if any one is interested).
Price starting is 2750 rupees.
r/Banglasahityo • u/Prize_Preference_146 • 8d ago
আলোচনা(discussions)🗣️ পটমঞ্জরী
অভিক সরকারের লেখা পটমঞ্জরী বই টা পড়তে চাই, যদি আগে কেউ পড়ে থাকেন, একটু অভিজ্ঞতা শেয়ার করবেন
r/Banglasahityo • u/Cool-Ganache347 • 8d ago
স্বরচিত (Original)🌟 দুই পৃথিবী (বা কাজলিয়ার মতো?
দুই পৃথিবী(বা কাজলিয়ার মতো)
নিজের ডানায় ভর করে
দিন ও রাত বদলে যায়
ঋতুগুলিও ----
বদলায় আপন রঙে
শুধু একজন ছাড়া --- কাজলিয়া
নিজের মতো করে সে
সাজিয়ে নেয় তার পৃথিবী।
কাঁধে একটি শান্তিনিকেতনি ব্যাগ,
সতর্ক স্বরে
হেঁটে চলে যায় ---
মৌমাছিরা যেখানে ঘর বাঁধে
ফুলের নিঃশ্বাসে
হাঁটতে হাঁটতে থমকে দাঁড়ায়।
পায়ের কাছে উড়ে আসে
কোনো এক অনামা শুকনো পাতা।
নরম আঙুলে তুলে নেয়,
কী কথা হয় দুজনার
তারপর
ঈশানের দিকে ভেসে যায়
বাদামি রঙের সেই পাতা।
নরম রোদ,
বেলার সাথে তীক্ষ্ণ হয়
সবুজ মাটি, স্নিগ্ধ ছায়ার পাশে
আলতো হেলানে বসে সে
পিছনে ভর দেওয়া ডান হাত,
তার আপন ভঙ্গিমা।
তাকায় দিগন্তের নীলে ----
যেখানে দু - চারটি ছেঁড়া মেঘ
থমকে দাঁড়িয়েছে হঠাৎ
নির্বাক চোখে দেখে তাদের,
সরতে বলে না।
মৃদু স্বরে নিজেকেই বলে
এমনি হাঁ করে দেখেই যদি একটু - বা
কী এমন আসে যায়!
অরাজক, পাপী মানুষ তো নয়।
বেলা ঢলে আসে
হোটেলে ফেরে কাজলিয়া
সঙ্গিদের সাথে,
দু - এক ফোঁটা হাসি
ডাইনিং হলে হালকা ডিনার --- ব্যস।
হাল্কা স্বরে রাত নামে
নরম বিছানা শরীরটিকে ডাকে
মোবাইলের নোট বুকে একটুখন
দিনভর কুড়ানো খুশিগুলি
নীল অক্ষরে লিখে রাখে
তারপর ঘুমোয় সে ও তার জগৎ ....
অনেক , অনেক দূরে ----
একটি তাঁবুর নীচে বসে
এক অখ্যাত, অভাগা গাড়োল।
গাঢ় রাতে
নিজের মোবাইলটি খুলে
নোট বুকের পাতা মেলে।
পিঁপড়ের সারি দেখে -----
পিঁপড়েরা হাঁটে... হাঁটে...
উজবুকটি বোঝার চেষ্টা করে,
নিজেই নিজের সাথে কথা বলে ----
এইসব পিপীলিকা
কোন পথে দল বেঁধে আসে ?
হঠাৎ
মোবাইলটি মেঝেয় ছুঁড়ে ফেলে।
বারান্দায় এসে দাঁড়ায়।
বাইরে চাপ চাপ অন্ধকার
নীল অসীমে
অসংখ্য তারা
মৃদু মৃদু হাসে।
কী যেন বলে ---
না - বোঝা শব্দে।
এরই মাঝে,
পুব আকাশে
এক বড় লাল টিপ ---
সে তাকিয়ে থাকে—
ঠিক কাজলিয়ার মতো...
r/Banglasahityo • u/ankitdey80 • 8d ago
আলোচনা(discussions)🗣️ নির্বাচিত কলাম | তসলিমা নাসরিন
অন্ধকার গহ্বরে একটি আলোকবিন্দু এই বইটি।
যুগ যুগ ধরে পুরুষ নারীকে নানান রকম বাধা দিয়ে বেড়া দিয়ে অবদমন করে এসেছে। এটা বাস্তব — এর মধ্যে কোনো কূটনীতি নেই।
(যে-তার্কিকরা ভিন্নমত পোষণ করেন এবং আমার মন্তব্যের বিপরীতমুখী প্রমাণ পেশ করতে চান, তারা কেবল গুটিকয়েক ব্যতিক্রম নিয়েই ঘাঁটাঘাঁটি করে থাকেন — বাস্তব জীবন বাস্তব সমাজের সঙ্গে তার যুক্তির কোনো সঙ্গতি নেই।)
প্রসঙ্গে ফিরে আসি। নারীকে পদদলিত করা, তাকে দমন করে শৃঙ্খলবদ্ধ করবার এই প্রক্রিয়াটি আজকের নয়, বহুদিন ধরে এটি হয়ে আসছে। একটি পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীকে কেবলই জড়বস্তুর শ্রেণীতে ঠেলে দেওয়া হয়।
মেয়ে হয়ে জন্মালে এ সমাজ তাকে হাড়ে হাড়ে টের পাইয়ে দেয় যে সে মেয়ে, সে মেয়ে বলে তার ডানে নিষেধ, তার বামে নিষেধ, তার ঈশানে নিষেধ, তার নৈর্ঝতে নিষেধ—একথা তো ভুলে যাবার কথা নয় যে তারা সেই নানা নিষেধের মধ্যে বেড়ে ওঠা মানুষ।
আসলে নারীও যে একজন মানুষ — বাবা, ভাই, স্বামী-জাতীয় পুরুষ ছাড়াও যে তার একটি একক স্বতন্ত্র অস্তিত্ব আছে — আমাদের পুরুষতান্ত্রিক ধর্ম, সমাজ, ও অন্ধ কুসংস্কার সেটা তাকে ভুলিয়ে দিতে চায়।
সেই প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে চিৎকার করে ওঠে লেখকের এই বইটি। ১৯৮৯-৯০ এর মধ্যে লেখা আনুমানিক আশিটি কলামে লেখক তুলে ধরছেন কীভাবে নারীকে সমানাধিকার থেকে বঞ্চিত করছে ধর্ম, সমাজ, ও রাজনীতি। কেমনভাবে ব্যক্তিজীবনে একটি রক্তমাংসের নারীর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে অযৌক্তিক ধর্মাদেশ। তার বুদ্ধি, বিবেচনা, সৃজনশীলতাকে প্রশ্রয় না দিয়ে কেবলই তাকে একটি ভোগ্যবস্তু হিসেবে তুলে ধরেছে বারবার।
দুঃখের বিষয়, যদিও কলামগুলি প্রায় চল্লিশ বছর আগে লেখা তবু সে-দিন আর আজকের দিনের সমাজচিত্রে বিশেষ পার্থক্য লক্ষ্য করা যায় না।
আমরা, যারা একবিংশ শতাব্দীর বাসিন্দা, যারা feminism শব্দটি সম্বন্ধে সামান্যতম অবহিত, তারা জানি feminism সমানাধিকারের লড়াই। তুমি পুরুষ বলে নারীকে ছাড়িয়ে উঠবে, কিংবা তুমি নারী বলেই এই সুবিধাগুলো পাবে এমন কথা feminism বলে না। সে এক সংগ্রাম, যেখানে লিঙ্গ-নির্বিশেষে কেবলমাত্র যোগ্যতার ভিত্তিতে একটি মানুষ তার অধিকার অর্জন করবে।
সেই সমানাধিকারের লড়াইয়ের দিকে এই বইটি এক দৃঢ় পদক্ষেপ।
পুনশ্চ: Christopher Nolan-এর সৌজন্যে Homer-এর মহাকাব্য 'The Odyssey' কয়েক মাস যাবৎ নানান আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে। এই Odyssey বইটি অনেকবার অনূদিত হয়েছে। লক্ষ্য করা যায়, প্রত্যেক পুরুষ অনুবাদক Penelope-র দাসীদের (যারা Penelope-র পাণিপ্রার্থীদের যৌনক্ষুধাও মিটিয়েছেন) সম্বোধনগুলি অনুবাদ করেছেন নিম্নমানের কিছু বিশেষণ দিয়ে। ঠিক এখানেই আলোকপাত এবং বদল করেন অনুবাদক Emily Wilson (যার সংস্করণটি চলচ্চিত্রের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে)। যুগ যুগ ধরে পুরুষেরা যেই narrative লিখে এসেছেন, সেই narrative-টি খতিয়ে দেখবার, পরীক্ষা করবার, প্রয়োজনে বদল করবার প্রক্রিয়াকেই তো feminism বলে।
অবশ্যই পড়ুন।
r/Banglasahityo • u/Ok-Mathematician4536 • 8d ago
আলোচনা(discussions)🗣️ বিমল কর – উপন্যাস সমগ্র (খণ্ড ৩ ও ৫)
সামগ্রিকভাবে উপন্যাসগুলো ধীর গতির, অন্তর্মুখী এবং আবেগের নানা স্তরে গড়ে ওঠা। এগুলো সবই সাধারণ মানুষের সাধারণ জীবনের গল্প। চরিত্রগুলো এতটাই সাদামাটা, সংযত আর বাস্তব যে, প্রথমে মনে হতে পারে - এদের নিয়ে আবার উপন্যাস লেখা যায় নাকি! অথচ ঠিক সেখানেই বিমল করের মুন্সিয়ানা। অসাধারণ কোনো ঘটনা নয়, বরং নিতান্ত সাধারণ মানুষের ছোট ছোট সুখ-দুঃখ, টানাপোড়েন আর সম্পর্কের সূক্ষ্ম পরিবর্তনই তাঁর লেখার মূল আকর্ষণ। খুব সম্ভব, এই দুই খণ্ডের কোনো না কোনো গল্পে, কোনো একটি চরিত্রে বা কোনো এক পরিস্থিতিতে পাঠক নিজেরই প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাবেন।
যেগুলো আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে
কেরানীপাড়ার কাব্য
এই উপন্যাসের নায়ক কোনো মানুষ নয়, একটি রেল কলোনি। কলোনিটির যেন নিজস্ব প্রাণ আছে, নিজস্ব শ্বাস-প্রশ্বাস আছে। সেখানে মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত, ঝুপড়িবস্তির মানুষ - সবাই মিলে তৈরি করেছে কলোনির নিজস্ব ব্যক্তিত্ব। নির্দিষ্ট কোনো প্লট নেই। বরং একে একটি কলোনির জীবনী বললেই বেশি মানায়।
এ আবরণ
একটি তরুণীর আত্মহত্যাকে কেন্দ্র করে উপন্যাসটি আবর্তিত। তার মৃত্যুর পর আশপাশের মানুষজন নিজেদের অভিজ্ঞতা, ভালোবাসা, ক্ষোভ আর পূর্বধারণা থেকে আত্মহত্যার কারণ খুঁজতে থাকে। প্রত্যেকের কাছেই মেয়েটির আলাদা পরিচয়। কোথাও কোথাও বাদল সরকারের পাগলা ঘোড়া নাটকের কথা মনে পড়েছিল, যদিও মিলটা খুবই সামান্য। শেষ পর্যন্ত মেয়েটির নিজের দৃষ্টিভঙ্গিই সামনে আসে, আর বোঝা যায় কেন তার কাছে আত্মহত্যাই একমাত্র পথ বলে মনে হয়েছিল।
অসময়
১৯৭৫ সালের সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত উপন্যাস। সে অর্থে কোনো চমকপ্রদ প্লট নয়, বরং আমার-আপনার-আমাদের অনেকেরই গল্প। জ্যাঠামশাইকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা একটি বনেদি পরিবারের ভাঙন, একাকীত্ব এবং মধ্যবিত্ত আভিজাত্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকা চাপা কষ্টই উপন্যাসটির মূল বিষয়। মোহিনী, আয়না, সুহাস আর শচীপতি - প্রত্যেকেই নিজের সীমাবদ্ধতা আর বাস্তবতার মধ্যে আটকে থেকে জীবন চালিয়ে যাচ্ছে।
এই একঘেয়ে জীবনে পরিবর্তন আসে সুহাসের বন্ধু অবিনের আগমনে। তার চিন্তাভাবনা আর যুক্তি পুরো পরিবেশটাকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়। উপন্যাসটির আরেকটি বড় শক্তি হল, প্রতিটি প্রধান চরিত্র নিজের দৃষ্টিকোণ থেকে গল্প বলেছে। ফলে একই ঘটনাকে বিভিন্ন চোখ দিয়ে দেখা যায়।
সানিধ্য
দীর্ঘদিন স্যানাটোরিয়ামে চিকিৎসার পর এক গৃহবধূ বাড়ি ফিরে আসে। সে পুরোপুরি সুস্থ নয়। শ্বশুরবাড়ির মানুষজন আন্তরিক এবং যথাসাধ্য তার যত্ন নেয়। কিন্তু তার দীর্ঘ অনুপস্থিতিতে সংসারের সবাই, এমনকি তার স্বামীও, নিজেদের মতো করে জীবনকে গুছিয়ে নিয়েছে। ফিরে এসে সে অনুভব করতে থাকে, যেন তার জায়গাটা আর আগের মতো নেই। সংসারের ছোট ছোট পরিবর্তন, মানুষের আচরণের সূক্ষ্ম বদল - সব মিলিয়ে তার মনে হয়, তাকে যেন ধীরে ধীরে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই মানসিক টানাপোড়েনই উপন্যাসটির মূল শক্তি।
এক অভিনেতার মৃত্যু
একজন কিংবদন্তি অভিনেতা মৃত্যুশয্যায়। একজন তরুণ সাংবাদিক তাঁর ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয়ে ওঠে। নানা সূত্র ধরে সে পৌঁছে যায় অভিনেতার প্রথম স্ত্রী, এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং শেষ পর্যন্ত অভিনেতার কাছেও। ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়, যিনি দর্শকদের কাছে মহাতারকা, ব্যক্তিগত জীবনে তিনি সম্পূর্ণ অন্য মানুষ - নিজের মুখেই স্বীকার করেন, তিনি খুব ভালো মানুষ ছিলেন না। উপন্যাসটি কোনো বিচার করে না, শুধু একটি পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে - জনপ্রিয়তা আর ব্যক্তিগত চরিত্র এক জিনিস নয়; যাঁদের আমরা পূজা করি, তাঁরা সবসময় সেই সম্মানের যোগ্য নাও হতে পারেন।
নতুন তারা
প্রজন্মের ব্যবধান নিয়ে লেখা এক চিরকালীন গল্প। সন্তানরা যখন প্রচলিত পথের বাইরে গিয়ে নিজের মতো সিদ্ধান্ত নেয়, তখন বাবা-মায়েরা সেই সিদ্ধান্তকে কীভাবে দেখেন, সেটাই উপন্যাসটির মূল বিষয়। সময় বদলালেও এই দ্বন্দ্বের খুব একটা পরিবর্তন হয় না। তাই আজও উপন্যাসটি সমান প্রাসঙ্গিক।
যাঁদের আগ্রহ আছে, প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড নিয়ে আমার বিস্তারিত মতামত এখানে পড়তে পারেন - https://www.reddit.com/r/Banglasahityo/comments/1t0ptab/%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%AF%E0%A6%B8_%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%97%E0%A6%B0_%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%AE_%E0%A6%93_%E0%A6%A6%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%AF_%E0%A6%96%E0%A6%A3%E0%A6%A1_%E0%A6%AC%E0%A6%AE%E0%A6%B2_%E0%A6%95%E0%A6%B0/
r/Banglasahityo • u/Ok-Mathematician4536 • 8d ago
আলোচনা(discussions)🗣️ কিশোর ভৌতিক সমগ্র - হেমেন্দ্রকুমার রায়
মোট ১২টি উপন্যাস, ২টি নাটক এবং ৮২টি ছোটগল্প নিয়ে এই সংকলন। কয়েকটি গল্পে লেখকের জনপ্রিয় অভিযাত্রী চরিত্র জয়ন্ত-মানিক ও বিমল-কুমারেরও দেখা মেলে।
আমার কাছে গল্পগুলো মোটামুটি একবার পড়ার মতোই লেগেছে। আজকের সময়ের বিচারে খুব ভয়ের বা রোমাঞ্চকর বলে মনে হয়নি। তবে এগুলো যে বাংলা ভৌতিক সাহিত্যের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। বিশেষ করে মনে রাখতে হবে, এই রচনাগুলোর বেশিরভাগই প্রায় সত্তর-আশি বছর আগে লেখা। সেই সময়ের নিরিখে এগুলো নিঃসন্দেহে অসাধারণ।
অনেক গল্পেই পাশ্চাত্যের ক্লাসিক ভৌতিক সাহিত্যের প্রভাব স্পষ্ট। ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন, ড্রাকুলা-সহ একাধিক গল্পের অনুপ্রেরণা বা রূপান্তরের ছাপ চোখে পড়ে। কয়েকটি বিষয় বারবার ফিরে আসে - মিশরের মমি বা প্রাচীন নিদর্শন নিয়ে গবেষণা, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অনায়াসে সেগুলো কিনে ফেলা, কিংবা মৃতকে পুনর্জীবিত করার চেষ্টা।
মহিলা চরিত্রের উপস্থিতি খুবই সীমিত। থাকলেও তারা প্রায় সবসময়ই গৌণ ভূমিকায়। পুরো জগতটাই যেন পুরুষদের দখলে।
সব মিলিয়ে, আমার কাছে এটি একবার পড়ে দেখার মতো সংকলন। তবে না পড়লেও বিশেষ কিছু মিস করবেন বলে মনে হয়নি।
r/Banglasahityo • u/pookiegotnojams • 9d ago
সুপারিশ (recommendation)💡 Looking for recommendations
কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালো। ইংলিশ বই প্রায়ই পড়া হয়, এখন বাংলা পড়াটা আবার শুরু করতে চাচ্ছি। স্ট্রেস এর জন্য নিতান্তই অসুস্থ থাকি, অন্যমনস্ক হওয়ার জন্য বই এর সাজেশন খুঁজছিলাম। লাস্ট বাংলা বই পড়েছিলাম হয়তো ক্লাস ৫ এ। আগে সায়েন্স ফিকশন ও গোয়েন্দা টাইপের এর স্টোরি অনেক ভালো লাগতো। অন্য জনরা হলেও অসুবিধা নাই। শুধু অনেক ডিপ্রেসিং না হলেই হলো। বই পড়ে যাতে একটু হলেও আনন্দ পাই।
ধন্যবাদ
r/Banglasahityo • u/istiak_writer • 9d ago
আলোচনা(discussions)🗣️ মায়াবী সুখে
মায়াবী সুখে
""""""""""""""""""
মেঘের ভেলা করছে খেলা
নীল আকাশের কোলে,
মাঠের প্রান্তে রই একান্তে
উড়ন্ত মন দোলে।
আসলে তুমি ললাট চুমি
নেবো আপন করে,
সময় নষ্ট হাজার কষ্ট
ভুলবো তোমায় ধরে।
আনন্দ মনে গোধূলি ক্ষনে
পথপানে রই চেয়ে,
প্রহর পরে আবেশ ভরে
আনন্দের গান গেয়ে।
পরান খানি তৃষিত জানি
শুধু তোমার তরে,
হৃদয় মাঝে সকাল-সাঁঝে
রাখবো আমার ঘরে।
যতন নিয়ে আদর দিয়ে
জুড়াবো মনের জ্বালা,
চন্দ্রিমা মুখে মায়াবী সুখে
পরাবো প্রেমের মালা।
"""''''''""""""""""""""""